শ্রীপুরীধাম মাহাত্ম্য-মুক্তা-মালা


গুণ্ডিচা-মার্জ্জন লীলা

 

মহাপ্রভু সমস্ত ভক্তগণকে বলতেন, “প্রত্যব্দ আসিবে গুণ্ডিচা দেখিতে ।” মহাপ্রভু নিজে কি বলতে পারেন “আমাকে দেখতে আসবে” ? সেইজন্য তিনি বলতেন, “প্রতি বছর তোমরা পুরীতে আসবে এই গুণ্ডিচা মার্জ্জন করতে ।”

আপনারা রথকে নিয়ে যাবেন কোথায় ? সুন্দরাচল । এটা হচ্ছে রথের মাহাত্ম্য । পুরীতে জগন্নাথ মন্দিরটা হচ্ছে নিলাচল আর গুণ্ডিচা মন্দির হচ্ছে সুন্দরাচল । কৃষ্ণ যখন বৃন্দাবন ছেড়ে মথুরায়, দ্বারকায় চলে গিয়েছিলেন, ব্রজ-গোপীগণ তাঁকে টানতে টানতে বৃন্দাবনে নিয়ে এসেছিলেন ।

সেইজন্য, রথকে যারা টানবেন, ব্রজগোপীর সমতুল্য । কীর্ত্তনে আমরা গাই, “শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু জীবে দয়া করি’ স্বপার্ষদ স্বীয় ধাম সহ অবতরি ।” যে লীলা কৃষ্ণ দ্বাপর-যুগে করেছেন, সে লীলা ব্রজ গোপীগণ অবার ভক্তরূপে অবতীর্ণ হয়ে করেছেন (কেউ রায় রামানন্দ, কেউ স্বরূপ দামোদর, কেউ রূপ গোস্বামী, কেউ সনাতন গোস্বামী, প্রভৃতি) । তাই স্বয়ং ভগবান শ্রীরাধার ভাব ও কান্তি ধরে পার্ষদগণের সহিত অবতীর্ণ হয়ে এই রথ লীলা করেছেন—কৃষ্ণকে টানতে টানতে রথে বৃন্দাবনের দিকে নিয়ে যেতেন ।

আর বৃন্দাবন-সুন্দরাচলে যাওয়ার আগের দিন মহাপ্রভু সমস্ত ভক্তগণকে নিয়ে গুণ্ডিচা মন্দির (যে বৃন্দাবন থেকে অভিন্ন) পরিষ্কার করতেন । এটা হচ্ছে গুণ্ডিচা-মার্জ্জন লীলা ।

প্রভুপাদ শ্রীলভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর খুব সুন্দর ভাবে এই লীলার রহস্যর সম্বন্ধে লিখে দিয়েছেন :

 

গুণ্ডিচা-মার্জ্জন-লীলা-রহস্য

এই বক্তৃতা শ্রীলপ্রভুপাদ ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর
শ্রীপুরুষোত্তম ক্ষেত্রে বলিয়াছিলেন—
বাঙ্গালা জ্যৈষ্ঠ ১৩২৯, ইংরাজী জুন ১৯২২, গৌরাব্দ ত্রিবিক্রম ৮৩৬ ।
(এই সালে তিনি চটকপর্ব্বতের শ্রীপুরুষোত্তম গৌড়ীয় মঠ স্থাপন করিলেন ।)

 

জগদ্গুরু মহাপ্রভু এই লীলাটীর দ্বারা এই শিক্ষা দিয়েছেন যে, শ্রীকৃষ্ণকে যদি কোন সৌভাগ্যবান জীব স্বীয় হৃদয় সিংহাসনে বসাইতে ইচ্ছা করেন, তবে সর্ব্বাগ্রে তাঁহার হৃদয়ের মল ধৌত করা উচিৎ, হৃদয়টিকে নির্ম্মল, শান্ত ও উজ্জ্বল করা আবশ্যক । হৃদয়-ক্ষেত্রে কন্টকপূর্ণ-তৃণ বা আগাছা, ধূলি ও কঙ্করাদিরূপ অনর্থ কিছুমাত্র থাকিলেও পরমসেব্য ভগবানকে বসানো যায় না । হৃদয়ের ঐ সমস্ত মল বা আবর্জ্জনাগুলি অন্যাভিলাষ, কর্ম্ম, জ্ঞান ও যোগ চেষ্টাদি ব্যতীত আর কিছুই নয় । শ্রীল রূপ গোস্বামী প্রভু বলেন,—”অন্যাভিলাষিতাশূন্যং জ্ঞানকর্ম্মাদ্যনাবৃতম্ । আনুকূল্যেন কৃষ্ণানুশীলনং ভক্তিরুত্তমা ॥”

যেখানে ভক্তীতর অন্যাভিলাষ, জ্ঞান কর্ম্মযোগ তপস্যাদি বা ভক্তিপ্রতিকূল ভাবদ্বারা আত্মার নিত্য স্বাভাবিকবৃত্তি ভক্তি আবৃত হইয়াছে, সেখানে শুদ্ধভক্তি নাই । শুদ্ধসত্ত্বময়ী শুদ্ধভক্তি ব্যতীত কৃষ্ণের আবির্ভাব হয় না ।

অন্যাভিলাষ অর্থাৎ “জগতে যতক্ষণ থাকিব, ততক্ষণ কেবল নিজ ইন্দ্রিয়ের তর্পণই করিব”—এইরূপ ইতর অভিলাষ ; উহা কন্টকময় তৃণের মত শুদ্ধজীবের সুকোমল হৃদবৃত্তি কেবলা ভক্তিকে বিদ্ধ করে । কর্ম্ম-চেষ্টা অর্থাৎ “যাগ, যজ্ঞ, দান, তপস্যা প্রভৃতি দ্বারা স্বর্গাদি উচ্চলোকে বা ইহলোকে সুখভোগ করিব,”—এইরূপ বাসনাময়ী ক্রিয়া ; উহা ধূলি সদৃশ । কর্ম্মাবর্ত্তের ঘূর্ণিবায়ুতে বাসনারূপ ধূলিরাশি আমাদের স্বচ্ছ ও নির্ম্মল হৃদয়-দর্পণকে আবৃত করিয়ে দেয় । সৎ ও অসৎ কর্ম্মের বাসনারূপ অসংখ্য ধূলিরাশি হরিবিমুখ জীবের হৃদয়কে জন্মজন্মান্তর ধরিয়া মলিন করিয়াছে, তাই তাঁহার কর্ম্মবাসনা দূর হইতেছে না । হরিবিমুখ জীব মনে করেন, কর্ম্মের দ্বারা বোধ হয় কর্ম্ম-শল্যের নির্হরণ হইতে পারে, কিন্তু ঐ ধারণা ভুল ; তদ্বশবর্ত্তী হইয়া তিনি কেবল আত্মবঞ্চিত হইতে থাকেন মাত্র । হস্তীকে স্নান করাইয়া দিলে যেমন সেই হস্তী আবার গায়ে ধূলি মাখিয়া থাকে, তদ্রূপ কর্ম্মের দ্বারা কর্ম্মবাসনা বিদূরিত হয় না । একমাত্র কেবলাভক্তি দ্বারাই জীবের সমস্ত অসুবিধা দূর হয়, অথবা সেই তাঁহার সেই নির্ম্মল হৃদয়-সিংহাসনেই শ্রীভগবান্ বিশ্রাম যোগ্য স্থান লাভ করিয়া থাকেন । এজন্য ঠাকুর মহাশয় গাহিয়াছেন,—”ভক্তের হৃদয়ে সদা গোবিন্দ বিশ্রাম ।”

নির্ব্বিশেষ ও কৈবল্য যোগ বা জ্ঞান-যোগাদি চেষ্টা ঠিক কঙ্করের মত । তদ্দ্বারা শ্রীহরির তোষণ বা সেবা ত’ দূরের কথা, শ্রীহরির দেহে শেলবিদ্ধ করিবারই প্রয়াস করা হয় । যদিও নির্ব্বিশেষ ব্রহ্মানুসন্ধানে প্রথমে মুমুক্ষু অবস্থায় শ্রীহরির নামাদি গৌণভাবে স্বীকার করা হয়, কিন্তু মুক্ত বা ব্রহ্ম অভিমানকালে তাঁহার স্বতন্ত্র অস্তিত্ব স্বীকার করা হয় না ; সুতরাং ভগবান্ তাদৃশ দুর্ভাগা বিমুক্তাভিমানী জীবের হৃদয়ে আবির্ভূত হন না । সেইজন্য শ্রীগৌরসুন্দর ঐ সকল তৃণ, ধূলি, ঝিঁকুরাদি আবর্জ্জনারাশি ভগবন্মন্দিরের চতুঃসীমানার ভিতরও রাখিলেন না ; পরন্তু নিজ বহির্ব্বাস দ্বারা তৎসমুদয় বাহিরে ফেলিয়া দিলেন—পাছে ব্যাত্যার সহায়তায় ঐ সকল জঞ্জাল পুনরায় শ্রীমন্দিরে প্রবেষ্ট হইয়া পড়ে।

অনেক সময় কর্ম্মজ্ঞানাদি চেষ্টা বিদূরিত হইলেও হৃদয়ে সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম মল থাকিয়া যায় । উহাকে ‘কুটিনাটি’, ‘প্রতিষ্ঠাশা’, ‘জীবহিংসা’, ‘নিষিদ্ধাচার’, ‘লাভ’, ‘পূজা’ প্রভৃতির সহিত তুলনা করা যাইতে পারে । ‘কুটিনাটি’ শব্দে কপটতা ; ‘প্রতিষ্ঠাশা’ শব্দে নির্জ্জন ভজনাদি বা বুজ্ রুগী দ্বারা ‘নির্ব্বোধ লোক আমাকে একজন বড় সাধু বা মহান্ত বলুক’ এইরূপ জড়ীয় সম্মানাদি আশা অথবা বিষয়ভোগক্রমে স্বার্থপূরণোদ্দেশ্যে কাঠিন্যপ্রাপ্ত হৃদয়ে কৃত্রিম বিকারাদি ভাবাভাস প্রদর্শন দ্বারা ‘ভক্ত’ বা ‘অবতার’ সাজিবার আশা ; ‘জীবহিংসা’ শব্দে শুদ্ধভক্তি প্রচারে কুন্ঠতা বা কৃপণতা, মায়াবাদী কর্ম্মী ও অন্যাভিলাষীকে প্রশ্রয় দেওয়া বা তাঁহাদের মন রাখিয়া কথা বলা ; ‘লাভ-পূজা’ শব্দে ধর্ম্মের নামে হরিনাম-মন্ত্র বিগ্রহ ও ভাগবতজীবী হইয়া নির্ব্বোধ লোককে ঠকাইয়া ধনাদি অথবা সম্মান প্রাপ্তি ; ‘নিষিদ্ধাচার’ শব্দে স্ত্রীসঙ্গ এবং কর্ম্মী, জ্ঞানী ও অন্যাভিলাষী প্রভৃতি কৃষ্ণাভক্তের সঙ্গে বুঝায় ।

এইরূপে বহুদিনের সঞ্চিত বড় বড় কাঁকর, তৃণ, ধূলিরাশি প্রভৃতি ঝাঁটাইয়া ফেলিয়া দিয়া শ্রীগৌরসুন্দর দুই দুইবার করিয়া মন্দিরের সমগ্রাংশ মার্জ্জন ও জলদ্বারা প্রক্ষালন করিবার পর, যদি কোথাও আবার কোনও সূক্ষ্ম দাগ লাগিয়ে থাকে, তজ্জন্য তিনি পরিধেয় শুষ্ক বস্ত্রের দ্বারা ঘষিয়া ঘষিয়া শ্রীমন্দির ও ভগবৎ পীঠস্থানরূপ সিংহাসন মার্জ্জন করিতে লাগিলেন।

এত করিয়া প্রক্ষালন মার্জ্জন ঘর্ষণাদির পর শ্রীমন্দিরে আর ধূলিকণার লেশ, এমন কি, একটি সূক্ষ্ম দাগও নাই, শ্রীমন্দিরটি স্ফটিকবৎ নির্ম্মল, কেবল তাহাই নহে, আবার সুশীতল হইল, অর্থাৎ সাধকের হৃদয়টি রবিতপ্তমরুভূমিসমতাপ হীন অর্থাৎ বিষয়ভোগ বাসনাজনিত আধ্যাত্মিকাদি তাপত্রয়ানল-জ্বালা-রহিত হইয়াছে । বস্তুতঃ তাঁহার হৃদয় হইতে অন্যাভিলাষ ও কর্ম্ম-জ্ঞান-যোগাদি চেষ্টারূপা ভুক্তি-মুক্তি-কামনা বিদূরিত হইয়া আত্মবৃত্তি শুদ্ধভক্তি প্রকটিত হইলে উহা এইরূপই শান্ত ও সুশীতল হয় ।

অনেক সময় সমস্ত কামনা-বাসনা বিদূরিত হইলেও হৃদয়ের কোনও কোনও অজ্ঞাত কোণে এক একটি সূক্ষ্ম দাগ লেগে থাকে, তাহা নির্ব্বোধ জীব বুঝিতে পারে না ; উহাই ‘মুক্তিকামনা’ । নির্ব্বিশেঁবাদীর সাযুজ্যমুক্তি কামনা ত’ দূরের কথা, অপর চতুর্ব্বিধ মুক্তি-কামনারূপ সূক্ষ্মদাগকেও শ্রীমন্মহাপ্রভু স্বীয় বস্ত্রদ্বারা ঘষিয়া উঠাইলেন ।

এইরূপে শ্রীগৌরসুন্দর, কিরূপে সাধক স্বীয় হৃদয়কে বৃন্দাবনরূপে পরিণত করিয়া স্বরাট্ কৃষ্ণের স্বচ্ছন্দবিহার স্থল করিবার জন্য, কৃষ্ণেন্দ্রিয়প্রীতিবাঞ্ছার জন্য, মহোৎসাহের সহিত উচ্চৈঃস্বরে কৃষ্ণনাম করিতে করিতে কৃষ্ণার্থে স্ব-হৃদয় মার্জ্জন করিবেন, তাহা জীবের মঙ্গলার্থ আপনাকে জীবাভিমান করিয়া জগদ্ গুরুরূপে স্বয়ং শিক্ষা দিতে লাগিলেন—”যদ্যন্যা ভক্তিঃ কলৌ কর্ত্তব্যা, তদা কীর্ত্তনাখ্যভক্তিসংযোগেনৈব ।” মহাপ্রভু প্রতি ভক্তের নিকটে গিয়া হাতে ধরিয়া মন্দির-মার্জ্জন-সেবা শিক্ষা দিতে লাগিলেন । যাঁহার কার্য্য ভাল হইতেছে, তাঁহাকে প্রশংসা এবং যাঁহার সেবা কৃষ্ণবাঞ্ছাপূর্ত্তিময়ী শ্রীরাধার ভাবসুবলিত প্রভুর নিজ মনোমত হইতেছে না, তাঁহাকেও পবিত্র ভর্ৎসনপূর্ব্বক হাতে ধরিয়া কৃষ্ণসেবাপ্রণালী শিক্ষা দিলেন । শুধু তাহাই নহে, চৈতন্যশিক্ষানুগত লব্ধ ভজনকৌশল, অদ্বয়জ্ঞানে ভক্তিযোগযুক্ত শুদ্ধহৃদয় ভক্তগণকে অপর বিমুখজীবগণের ‘আচার্য্যে’র কার্য্য করিবার জন্যও আদেশপূর্ব্বক উৎসাহাম্বিত করিলেন । (“তুমি ভাল করিয়াছ, শিখাহ অন্যেরে । এইমত ভালকর্ম্ম সেই যেন করে ॥”) আবার, যিনি যত বেশী পরিমাণে অভদ্ররাশি হৃদয় হইতে আহরণ-পূর্ব্বক পরিষ্কার করিতে সমর্থ হইবেন, তিনি তত বেশী প্রভুপ্রিয় হইবেন এবং যাঁহার অনর্থনিবৃত্তি সামান্যই ঘটিয়াছে, তাঁহার পক্ষে শাস্তিস্বরূপ হরিগুরুবৈষ্ণব সেবাই বিধি বলিয়া নির্দ্দিষ্ট হইল ।

 


 

← গ্রন্থাগারে ফিরে

 

অনন্তশ্রীবিভূষিত ওঁ বিষ্ণুপাদ পরমহংসকুলচূড়ামণি বিশ্ববরেণ্য জগদ্­গুরু শ্রীশ্রীমদ্ভক্তিনির্ম্মল আচার্য্য মহারাজের পদ্মমুখের হরিকথামৃত


সূচীপত্র:

সূচনা : শ্রীজগন্নাথদেব
মহাপ্রভুর ইচ্ছা ও পুরীতে যাত্রার আরম্ভ
মহাপ্রভুর পুরীতে যাত্রা :
শান্তিপুর
রেমুণা
সাক্ষীগোপাল
ভুবনেশ্বর
ভুবনেশ্বর শ্রীলিঙ্গরাজ
আঠারনালা
শ্রীপুরীধামে :
সার্বভৌম ভট্টাচার্য্যের সথে মিলন
সার্বভৌম ভট্টাচার্য্যের শিক্ষা
কাশী মিশ্রের কথা
রামানন্দ রায়ের পুনর্মিলন ও প্রকৃতি
ভক্তদের সহিত শ্রীক্ষেত্রে বার্ষিক মিলন
রাজা প্রতাপরুদ্রের প্রতি কৃপা
গোবিন্দ প্রভুর শিক্ষা
দর্শনের আর্ত্তি
শ্রীআলালনাথের কথা
কালিদাসের ব্যতিক্রম
সার্বভৌম ভট্টাচার্য্যের প্রসাদে রুচি
“ষাঠী বিধবা হয়ে যাক !”
গঙ্গা মাতা গোস্বামিণী
শ্রীগোপাল গুরুর কথা
শ্রীজগদানন্দ পণ্ডিতের প্রেম
শ্রীলসনাতন গোস্বামীর সঙ্গ
রামচন্দ্র পুরীর কথা
শ্রীপরমানন্দ পুরীর ভক্তিকূপ
দামোদর পণ্ডিতের বিদায়
ছোট হরিদাসের শাস্তি
গুণ্ডিচা-মার্জ্জন লীলা
শ্রীনারায়ণ ছাতায়
চটকপর্ব্বতের কথা
গম্ভীরা—বিরহের জ্বলন্ত ঘর
শ্রীল হরিদাসঠাকুর : নামাচার্য্য শিরোমণি
শ্রীগদাধর পণ্ডিত : মহাপ্রভুর ছায়া
শ্রীরঘুনাথদাস গোস্বামীর শ্রীপুরীধামে আগমন ও ভজন
পরিশেষ

বৃক্ষসম ক্ষমাগুণ করবি সাধন । প্রতিহিংসা ত্যজি আন্যে করবি পালন ॥ জীবন-নির্ব্বাহে আনে উদ্বেগ না দিবে । পর-উপকারে নিজ-সুখ পাসরিবে ॥