শান্তির গুপ্ত কথা

ওঁ বিষ্ণুপাদ শ্রীল ভক্তি নির্ম্মল আচার্য্য মহারাজের হরি-কথামৃত
১৭ জানুয়ারী ২০১৬

 

শ্রবণ মানে শ্রেয়-যোগ-বন : যেটা শুনলে আপনাদের মঙ্গল হবে, এটা প্রেয় নয় । প্রেয় আর শ্রেয় জগতে দুটা কথা আছে, প্রেয় মানে আপনার মনের কথা, কিন্তু শ্রেয়টা আপনার মনে কথা নাও হতে পারে কিন্তু শুনলে আপনার মঙ্গল হবে । সেটা হচ্ছে শ্রবণ । প্রিয়-কথা শুনতে নেই—গ্রাম্য-কথা, প্রিয়-কথা, এ সব করবেন, শুনবেন না ।

সাধুসঙ্গে কৃষ্ণনামে—এই মাত্র চাই ।
সংসার জিনিতে আর কোন বস্তু নাই ॥

(শ্রীশ্রীপ্রেমবিবর্ত্ত, ৬/১৩)

সদ্­গুরু কখনও আপনাকে প্রবৃত্তি মার্গের উপদেশ দেবেন না । আপনি যেমন ডাক্তারের কাছে গেলেন—ডাক্তার বাবু দেখেন আপনার শরীরটা কেমন খারাপ লাগছে, আপনাকে ব্লাড টেস্ট করতে দেবেন আর রেজাল্ট পেয়ে আপনার যেমন ডায়বেটিক ধরা পড়বেন । তারপর ডাক্তার বাবু আপনাকে প্রেসক্রিপশন দিয়ে বলবেন: “ওষুধগুলো খাবেন আর বাড়িতে আলু ও মিষ্টি বেশিভাব খাবেন না ।” কিন্তু আপনি ডাক্তার বাবুকে বলেন, “আমার অনেক পয়সা আছে—আপনি যা ওষুধ লেখেন তা লেখেন, সব খাব কিন্তু মিষ্টি ছাড়তে পারব না !” যদি ডাক্তারটা আপনাকে ভালবাসেন, তাহলে কি হবে ? তিনি বলবেন, “আপনার মত লোকই আমি চাই না !” আর যদি ডাক্তারটা আপনার পয়সা ভালবাসেন, আপনাকে ভালো না বাসেন, তিনি বলবেন, “ঠিক আছে, এই ওষুধ খাবেন, আপনার রোগ ভালো হবে । মিষ্টি না ছাড়বেন, আস্তে আস্তে সব খান, মিষ্টি, আলু কম কম, একটা টুকরো খান, না ছাড়তে পারলেন আর কি করবে ? ওষুধ খান, কিন্তু আমার কাছে আসতে হবে প্রত্যেক সপ্তায় ।” আর ডাক্তারের ফীটা (পয়সাটা) দিতে হবে…

এই জগতে অনেক গুরু ঘুরে বেড়ায়, গুরু-ব্যবসা আছে—কর্ম্মী-গুরু, জ্ঞানী-গুরু, যোগী-গুরু, কৌলিক-গুরু, লৌকিক-গুরু । এই সব গুরু পাওয়া যায়, তারা আপনাকে প্রবৃত্তি মার্গের উপদেশ দেবেন—“তুমি যা ইচ্ছা তাই কর, আমার কাছ থেকে দীক্ষা নাও আর তোমার ইচ্ছা মত চল !” কিন্তু তাতে আপনি ভগবানকে লাভ করতে পারবেন না । সেইরকম গুরুর কাছ থেকে কেউ যদি দীক্ষা নেয়, তাহলে যে দীক্ষা নেবে আর যে গুরু দীক্ষা দেবে, উভয় নরক প্রাপ্ত হয় । মনে রাখবেন, এগুলো শাস্ত্রের কথা ।

যারা এই জগতে বিভিন্ন আশ্রমে ঘুরে বেড়ায়, তারা জগতের পারমার্থিক চিন্তা করে না—নিজেই বন্ধনে থেকে তারা অপরকে কি করে বন্ধন থেকে মুক্ত করবে ? একজন যেমন যদি গর্তে পড়ে থাকে আর কেউ এসে তাকে বলে, “আমি আপনাকে গর্ত থেকে তুলব !” কিন্তু সে যদি নিজেই গর্তের মধ্যে পড়ে থাকে, আপনাকে গর্ত থেকে কি করে তুলবে ? সে নিজেই উঠতে পারছে না ! এই জগতে অনেক ওইরকম গুরু আছে—আউল, বাউল, কর্তাভজা, নেড়া, দরবেশ, সহজিয়া, জাত-গোসাঞি—সবাই বলছেন, “আমি তোমাকে উদাহরণ দিতে পারি ।”

এক গুরু ছিলেন । সে লোকের বাড়ি বাড়ি দীক্ষা দিয়ে বেড়াত—তার ছেলে আছে, তার স্ত্রী আছে, কন্যা আছে, আর সে বছরে বছরে গিয়ে লোকের টাকা-পয়সা তুলত । বাড়ির লোককে দীক্ষা দিয়ে বেড়াত আর বলত, “যা খুশি তাই কর ।”…

এক দিন স্ত্রী তাকে বলল, “শুন, তোমার তো বয়স হয়ে গেছে, বৃদ্ধ হয়ে গেছো তুমি । জীবনের শেষে তোমার এই সব ভিক্ষা করতে খুব কষ্ট হচ্ছে । তুমি লোকের বাড়ি বাড়ি যাও আর তোমার ছেলেটাও এই লাইনে এল না—সারাদিন সে বাইরে ঘুরে বেড়ায়, কোথায় যায় তাও জানি না, আর সন্ধ্যা সময় বা দুপুরের সময় ঠিক মত খাবার খেতে ফিরিয়ে এস... ওটা গুরুগিরি আর না করলে আমাদের সংসারের কি অবস্থা হবে ! আর পরে কি হবে ? কি করে চলবে ? কি করে খেয়ে বাঁচব ?” এই সব যে চিন্তা করল স্ত্রী তার স্বামীকে তাই বলল । হঠাৎ স্ত্রীর মাথায় একটা বুদ্ধি খেলে গেল, সে বলল “দেখ, ওই যে রাজা আছে না ? এই রাজাকে যদি তুমি শিষ্য করতে পারো, তাহলে সে অনেক টাকা-পয়সা, চাল-ডাল দিতে পারবে ! ধনি লোক রাজা মানুষ,—তাকে শিষ্য করত পারলে, তোমার আর দশটাকা, একশ-পঞ্চাশটাকার জন্য সবাইয়ের কাছে যেতে হবে না । শুধু এক শিষ্য বাড়ি গেলে অনেক চাল দেবেন, এতেই আমাদের পোষায় সংসার চলবে ।”

গুরুটা তার কথায় রাজী হয়ে গেল, “ভালোই বুদ্ধি করছো ।”

পরের দিন সে রাজার কাছে গিয়ে কোনোক্রমে তাকে শিষ্য করল, “আপনার রাজ্য ভালো থাকবে, আপনার সংসার ভালো থাকবে, আপনার সব কিছু হয়ে যাবে । এই হবে, সেই হবে, সব পাবেন ।”

রাজাকে শিষ্য করে কয়েক বছর ভালোই কেটেছে । কিছুক্ষণ পরে রাজা সেই গুরুদেবকে বলল, “গুরুদেব, আপনি তো প্রত্যেক বার অনেক চাল-ডাল, টাকা-পয়সা নিয়ে যান—আপনার কাছে আমি দীক্ষা নিলাম, আপনি আমার গুরুদেব কিন্তু আমি শান্তি ও আনন্দ পাচ্ছি না কেন ? আমার রাজ্য আছে, প্রজা আছে, বাড়িতে অপ্সরার মত সুন্দরী রাণী আছে কিন্তু আমি শান্তি পাচ্ছি না…”

তখন গুরুদেব কি করল ? সে বলল, “শান্তি লাভ করবার জন্য আপনার কিছু কাজ করতে হবে ।”

“কী কাজ ? আপনি তো বলেননি কোনদিন !”

“বিরাট করে যজ্ঞ করতে হবে ।”

“ঠিক আছে । যজ্ঞের কী কী লাগবে ?”

গুরুদেব এক বৃহৎ ফর্দ রাজাকে দিয়ে দিল । ফর্দটা দেখে রাজা বলল, “আমার সময় নেই । গুরুদেব, আপনার কত টাকা লাগবে বলে দেন, আমি নিয়ে আসব ।” গুরুদেবের আর ভালো হয়ে গেল । তখন সে বিরাট যজ্ঞ-ভোগ আয়োজন করল ।

যজ্ঞ যখন হয়ে গেছে কিছুদিন পর রাজা গুরুদেবকে আবার বলল, “গুরুদেব, যজ্ঞটা করলেন, কিন্তু শান্তিটা আসছে না কেন ?”

তখন গুরুদেব বলল, “আপনি যে টাকা দিয়েছিলেন—”

“আমি তো দিইনি, আমার স্ত্রী দিয়েছিল ।”

“ভালো মনে দিয়েছিলো না খারাপ মনে দিয়েছিল ? আমার মনে হচ্ছেও ঠিক মনে দেয়নি, যজ্ঞ আবার করতে হবে ।”

আবার যজ্ঞ করল । আবার দুমাস কাটল আর এক দিন রাজা তার গুরুদেবকে বলল, “শান্তিটা পাচ্ছি না… গুরুদেব, আমার সঙ্গে ছল করছেন না তো ! দেখুন, আপনাকে আমি সাতদিন সময় দিচ্ছি, এই সাতদিনের মধ্যে যদি আমাকে শান্তি দিতে না পারেন, তাহলে আমার লোক আপনাকে ধরে নিয়ে আসবে—গলা কেটে দেব !”

(যেমন গুরু, তেমন শিষ্য ।)

গুরুর চিন্তা হয়ে গেল, “সর্ব্ব নাশ ! আমি টাকা-পয়সা নিয়ে আমার সংসার চালিয়েছি, এই করেছি, সেই করেছি… লোভে পাপ করেছি ! রাজাকে দীক্ষা দিয়ে তার কাছ থেকে চালডাল নিয়ে এখন নিজেই মহাবিপদে পড়েছি !”

বাড়িতে এসে স্ত্রীকে সে বলল, “হায় কপাল ! তোমার কথা মত কী কোথায় গেলাম, রাজাকে শিষ্য করতে ! সব ভালোই চলছিল কিন্তু এখন তো রাজা বলে দিচ্ছে তাকে শান্তি দিতে হবে ! সাতদিনের মধ্যে যদি শান্তি দিতে না পারি, সে বলছে আমাকে গর্দান দেবে…”

একটু পরে ওই গুরুর ছেলে বাড়ি ফিরে এসে বলল, “মাগো, খেতে দাও !” মা দুঃখে বসে রান্না রান্না কিছুই করেনি । তাকে দেখতে পেয়ে মা তাকে বকল, “তুই তো কিছুই করিস না ! তোর বাবা বুড়ো কালে খেটে খেটে পরিশ্রম করে । রাজাকে শিষ্য করতে গিয়ে, এখন রাজা শান্তি চেয়েছে আর তোর বাবা যজ্ঞটা করল কিন্তু কিছু রাজা শান্তি পাচ্ছে না । কি করে শান্তি হবে ? তুই তো খালি খাওয়া আর ঘুমের জন্য বাড়িতে আসিস ! বেরিয়ে যাও !”

ছেলে বলল, “আমি রাজবাড়িতে যাব !”

“তুই কোথায় রাজবাড়িতে যাবি ?! তুই পাগল, কিছু দেখছিস না ? তুই রাজার কাছে গিয়ে কী বলবি ? ওটা দরকার নেই !”

কিছু না শুনে কিছু মুড়ি মুখে দিয়ে রাজবাড়িতে ছুটে গেল ছেলেটা । জোরে জোরে হেঁটে এবার রাজবাড়ি এসে হাজির হল । এসে দারোয়ানকে বলছে, “গেট খোল ! আমি রাজার কাছে যাব !”

দারোয়ান বলল, “তুমি কে ?”

“তোমরা আমাকে চেন না, রাজাকে বল গিয়ে আপনার গুরুদেবের পুত্র এসেছে ।”

তখন দারোয়ান রাজাকে গিয়ে বলল, “আপনার গুরুদেবের পুত্র এসেছে ।” আর রাজা বলল, “ঠিক আছে, আমি তাকে কোনো দিন দেখতে পাইনি, ডেকে নিয়ে এস ।”

ডেকে নিয়ে এসে রাজা জিজ্ঞেস করল, “তুমি কেন এসেছো, গুরুর পুত্র ?”

“আমি আপনার জন্যই এসেছি, আপনাকে আমি শান্তি দেব ।”

“হ্যাঁ, আমি তাও খুঁজছি, তোমার বাবার কাছ থেকে দীক্ষা নিয়েছি পাঁচ বছর আগে, তারপরে যজ্ঞ করল দুবার, অনেক মাস কেটে গেল কিন্তু আমি শান্তি আর পাচ্ছি না । এইজন্য তোমার বাবাকে বলে দিয়েছি সাতদিন সময় দিয়েছি ।”

“এটা আমি শুনেছি । শান্তি আপনাকে দেব ।”

“তোমার কী করতে হবে?”

“কিছু বেশি করতে হবে না, আমার শুধুমাত্র দুটো জিনিস লাগবে । দু’গাছা দড়ি লাগবে আর বাবাকে (গুরুকে) লাগবে ।”

“ঠিক আছে, কোন ব্যাপারই না ।”

রাজা লোক পাঠিয়ে দিল গুরুর বাড়িতে, “গুরুকে ডেকে নিয়ে এস ।” লোকটা যখন গুরুর কাছে গিয়ে বলল, “রাজা আপনাকে ডেকেছেন ।”

সে তখন ভয় পেয়ে মনে মনে ভাবল, “সাতদিনটা হয়নি, এখন রাজা ডেকেছে আমাকে কেন ? রাজা কী করবে ?”

তখন, গুরু রাজার কাছে এসে বলল, “সাতদিন আপনি আমাকে সময় দিয়েছেন, কিন্তু আজকে কেন আমাকে ডাকলেন ?”

রাজা বলল, “আমি আমার জন্য ডাকিনি, আপনার ছেলে আপনাকে ডেকেছে ।”

“ছেলেটা আমার পাগল, ওটা বাড়িতে থাকে না, সংসার দেখে না, কিছু করে না, ওটা খালি সবসময় ঘুরে ঘুরে বেড়ায় ।”

“ও বলছে ও আমাকে শান্তি দেবে—আপনাকে চায় আর দড়ি চায় বলে । দেখি না ও কী করে ।”

তখন রাজা ছেলেকে বলল, “দড়ি এসে গেছে, আমার গুরুদেব এসে গেছে, চলুন !”

এখন কী ? দড়ি নিয়ে রাজা ও বাবার সঙ্গে শ্মশানে দিকে গেল । তারা ভাবল, “আরে, শ্মশানের দিকে নিয়ে যাচ্ছে… কী করা যায় ?!” রাস্তা দিয়ে গিয়ে তারা দেখতে পেল এক লেখা, ‘শ্মশানেই শান্তি’—“এটা কী ? আমরা তো এখনও জ্যান্ত আছি, মরিনি তো… এ পাগল আমাদেরকে জ্যান্ত সমাধি দেবে না কি ? ঠিক আছে, কী ও করে দেখি…”

তরপার তারা দু’টো বড় বড় গাছের সামনে এল । ছেলেটা এক গাছের সঙ্গে প্রথমে বাবাকে বেঁধেছে, ভালো করে বেঁধেছে, আবার পরে অপর গাছের সঙ্গে রাজাকেও বেঁধেছে । বেঁধে দিয়ে ছেলেটা বলল, “বাবা, তুমি এবার রাজার বন্ধনটা মুক্ত করে দাও তো !”

“তুমি পাগল না কি ? আমাকে বেঁধে রেখে দিয়েছিস—আমি নিজে বন্ধনে আছি, অপরের বন্ধন কি করে খুলব ?!”

তখন ছেলেটা বলল রাজাকে, “শুনলেন তো আপনি ? বাবা নিজেই বলেছে ! সে নিজে বন্ধনে আছে, অপরের বন্ধন কি করে সে খুলবে ? আমার বাবা নিজেই মায়ার বন্ধনে আচ্ছন্ন হয়ে গেছে, মায়ার মধ্যে পড়ে আছে, আর অপরকে কি করে উদ্ধার করবে মায়া থেকে ? বাবা-মা বলে, ‘তুমি পাগল, কোথায় যাও, কোথায় যাও ?’ কিন্তু আমি একটা সাধুর আশ্রমে যাই, সেই সাধু প্রত্যেক দিন ভাগবত্ পাঠ করেন আর আমি তাঁর কাছে গিয়ে শ্রবণ করি । বাবার সেখানে গিয়ে ভাগবত্ শ্রবণ করা উচিত । তার কাছ থেকে দীক্ষা নিয়ে নিজে শিষ্য হতে হবে—শিষ্যর পরে গুরু হবে, তারপর আপনাকে শিষ্য করবে । শিষ্য না হয়ে আগে নিজে গুরু হয়ে বসে আছে আর নিজেই মায়া বন্ধনে আছে, আপনার কি করে সে বন্ধন মুক্ত করবে ?”

তখন বাবা বুঝতে পারল এবং বলে গেল, “তুই ঠিক বলেছিস, আমি কাল থেকে তোর আশ্রমে যাব ।”

তারপর রাজা এবং ছেলের বাবা দুইজনে আশ্রমে গিয়ে ভাগবত্ শ্রবণ করতেন । অবশেষে দুইজন আনন্দ লাভ করল, দুইজন পরম শান্তি লাভ করল আর তাদের মানসিক যন্ত্রণা চলে গেল ।

 

আমরা সবাই আনন্দ খুঁজি । কোথায় গেলে আনন্দ পাব ? Search for Sri Krishna Reality the Beautiful ! ভগবানকে খুঁজুন ! কোথায় আমরা সবাই আনন্দ খুজি ? আমরা সেই সংসারে একটু সামান্য সাময়িক আনন্দের জন্য লাফালাফি করি, কিন্তু যদি আমরা পরমানন্দ ভগবানের (আনন্দময় ভগবান শ্রীকৃষ্ণের) সেবা করতে পারি, তাহলে তো আমাদের পরম কল্যাণ বস্তু লাভ হবে, ভাই ! তজ্জন্য সদ্আশ্রমে যেতে হবে, সৎসান্নিধ্য লাভ করতে হবে…

 


 

 

 

← গ্রন্থাগারে

অন্য রচনা:
শ্রীনৃসিংহদেবের কথা
দণ্ড মহৎসব
মায়ার চিন্তা বা কৃষ্ণের চিন্তা ?
আমাদের একমাত্র উপায়
ভক্তির অভাব
গৃহে আবদ্ধ
মায়ের পেট থেকে মায়ার পেটের মধ্যে
জীবকে সত্য দয়া কি ?
ভোগী নই ত্যাগীও নই
শ্রবণ-কীর্ত্তনে মতি
ভগবানের কৃপা ও আপনার চেষ্টা
শান্তির গুপ্ত কথা
পবিত্র জীবন
বামনদেবের কথা
ভক্ত ও নাপিত
ভগবানের চরণে পথ
পূজনীয় বিসর্জন
শিবজী মহারাজ : পরম বৈষ্ণব
শ্রীহরিনাম দীক্ষা : গুরুপাদপদ্মের দান
আমি তো সব ব্যবস্থা করি নাকি ?
চকচক করলেই সোনা হয় না
আমার শোচন
বৃক্ষসম ক্ষমাগুণ করবি সাধন । প্রতিহিংসা ত্যজি আন্যে করবি পালন ॥ জীবন-নির্ব্বাহে আনে উদ্বেগ না দিবে । পর-উপকারে নিজ-সুখ পাসরিবে ॥