আমাদের শ্রীগুরুপরম্পরা :
শ্রীশ্রীল ভক্তিনির্ম্মল আচার্য্য মহারাজ শ্রীশ্রীল ভক্তিসুন্দর গোবিন্দ দেবগোস্বামী মহারাজ শ্রীশ্রীল ভক্তিরক্ষক শ্রীধর দেবগোস্বামী মহারাজ ভগবান্ শ্রীশ্রীল ভক্তি সিদ্ধান্ত সরস্বতী গোস্বামী ঠাকুর
              প্রভুপাদ
“শ্রীচৈতন্য-সারস্বত মঠে সূর্যাস্ত কখনই হয় না” :
আমাদের মঠের পরিচয় ও বৈশিষ্ট্য
 
আমাদের সম্পর্কে শ্রীউপদেশ শ্রীগ্রন্থাগার শ্রীগৌড়ীয় পঞ্জিকা ছবি ENGLISH
 

{ ফোনে আপডেট পেতে WhatsApp গ্রুপে যোগ দিন }

ওঁ বিষ্ণুপাদ শ্রীল ভক্তি নির্ম্মল আচার্য্য মহারাজের হরিকথা :

 

২০ এপ্রিল ২০২৬ (অক্ষয়-তৃতীয়া)

গুরুদেবের আবির্ভাব তিথি (পর্ব-৬ | ১ জানুয়ারি ২০২১, দুপুর)
"গুরু মহারাজ সারা পৃথিবীতে প্রায় ১০০টা দেশে ১৩০ মঠ স্থাপন করেছেন । তিনি ২৪ বার ১০০ দেশে (একবারে ২৫-৩০ দেশে) world tour (ওয়ার্ল্ড টুর) করেছেন আর আমি দেখেছি কি করে তিনি ওই বিদেশের লোককে এই পাথে নিয়ে এসেছেন ।"

 

—{ শ্রীচৈতন্য সারস্বত মঠের গ্রন্থাগার }—

উপদেশ (প্রথম খণ্ড)

সূচনা : আমাদের একমাত্র কৃত্য
"হরিনাম করতে হবে কিন্তু মনের মধ্যে কুটীনাটি দেখে নয়—সরল ভাবে । সরল ভাবে গোরা ভজনা করুন, তবে আপনারা ভগবানকে লাভ করতে পারবেন । কুটীনাটি বাদ দিয়ে সরল ভাবে বৈষ্ণবের সেবা যদি করেন, তাহলে দেখবেন আপনারা ভগবানকে লাভ করতে পারেন এবং কোন দিন আর এই জন্ম-মৃত্যু-জরা-ব্যাধি ভোগ করতে হবে না ।"

 

 

 

 

 

 

নিজের দীক্ষাগুরু যদি অপ্রকট হন, সে অবস্থায় সাধক-শিষ্যের কিভাবে সাধনপথে অগ্রসর হতে হবে, এ সমস্যা সাধকজীবনে আসা স্বাভাবিক ।

পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি সবসময় অনুকূল থাকে না, সময়ে সময়ে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে । বিশেষত দীক্ষা গুরুদেব যদি হঠাৎ অপ্রকট হয়ে যান, তবে শিষ্য-সম্প্রদায়ের মধ্যে কিছুটা বিশৃঙ্খলা দেখা দেওয়া স্বাভাবিক । শিষ্যদের মধ্যে বিবাদ ও সংঘাত দেখা যায় । ঐ প্রকার পরিস্থিতিতে ঐকান্তিক আগ্রহযুক্ত সাধকশিষ্য যথেষ্ট বিবেচনা ধৈর্য্য ও ভজনানুকূল সূক্ষ্মবিচার বোধের দ্বারা পরিচালিত না হলে বিপদ আছে । এটা ত’ একটা পরীক্ষার সময়, আত্মসমীক্ষ বা আত্মনিক্ষেপের অবসর । আমরা এ যাবৎ শ্রীগুরুদেবের কাছ থেকে যে সমস্ত নির্দেশ উপদেশ লাভ করেছি, তার যথার্থ মর্ম কতটা গ্রহণ করতে পেরেছি, তারই এটা পরিক্ষার সময় । আমরা কেবল কতগুলি স্থূল আচার বিধি-নিষেধের মধ্যে নিজেকে চালিত করে পরমার্থ সাধন হয়ে গেল, গুরুসেবা হয়ে গেল বলে নিশ্চিত থাকছি, না কৃষ্ণকৃপার জন্য উত্তরোত্তর আন্তরিক আর্ত্তি, ব্যাকুলতা বৃদ্ধি হওয়ার সাধন করছি, তাঁর ও শাস্ত্রের সদুপদেশগুলি নিজ আচরণে গ্রহণ করবার প্রয়াস করছি, তারই জমা খরচের হিসাব নিকাশের সময়, এ সব বিচার করতে হবে । সৎ শিষ্য-সাধক ও শিষ্য-সাধক বেশধারী কপট বৈষ্ণব ত’ এককথা নয়। গুরু ও শাস্ত্রের উপদেশ আমাদের অন্তরে কতটা গভীর রেখাপাত করেছে, তা পরীক্ষা করে দেখা দরকার । আমরা প্রকৃত শিষ্যত্ব গ্রহণ করেছি না শিষ্যের অভিনয় মাত্র করেছি, তার পরীক্ষার সময় ত’ এইটাই, এটা ত’ আগুন, এই আগুনে নকল শিষ্য পুড়ে ছাই হয়ে যাবে ।

আর আসল শিষ্য আরও উজ্জ্বল হয়ে সকলের সামনে উদ্ভাসিত হয়ে দাঁড়াবে ।

সুতরাং ঐ প্রকার বিড়ম্বিত পরিস্থিতিতে আমাদের ভত পাওয়ার কিছুই নাই । কৃষ্ণ আবার গীতায় বলছেন, “সুখিনঃ ক্ষত্রিয়াঃ পার্থ লভন্তে যুদ্ধমীদৃশম্ ।” আনাড়ি কর্মকার নিজ হাতিয়ার গুলির উপরও রাগ দেখায় । আমাদের কর্ম আমাদের সম্মুখে উপস্থিত । আমাদের ঘিরে ফেলেছে । এই অসুবিধাগুলো ত’ আমাদের কর্মেরই ফল । যা এড়ান যায় না তার মোকাবিলা করাই ত’ যথার্থ যোদ্ধার পরিচয় ।

এ প্রকার পরিস্থিতিতে আমাদের নিজের মধ্যে জিজ্ঞাসা হওয়া দরকার । আমি কোথায় আছি ? আমার প্রকৃত প্রয়োজনটা কি ? বাস্তব বস্তু লাভের জন্য আমার কতটুকু আর্ত্তি এসেছে ? এই সব প্রশ্নের মীমাংসা ত’ নিজের ভিতরেই করতে হবে । এইটাই ত’ প্রকৃত সাধনার বেলা । সাধনে প্রগতির প্রমাণই ত’ এইসব বাধা বিপত্তি ।

আমাদের শোধন করে নির্মল করার জন্য এই প্রতিবন্ধকগুলির সার্থকতা আছে, তাই এসেছে । পরীক্ষা না এলে প্রগতি বুঝা যায় না । আমরা এ যাবৎ প্রকৃত শিষ্যত্ব গ্রহণ করেছি, না লাভ পূজা প্রতিষ্ঠার জন্য শিষ্যত্বের অভিনয় মাত্র করেছি, তার অগ্নিপরীক্ষা এসেছে, তাই সৎসাধকের, প্রকৃত শিষ্যের এতে ভয় হয় না, সে আরও উৎসাহ ও নিশ্চয়তার সহিত ধৈর্য্যের সহিত সাধনে একনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করে ।

ভগবানের কোন ভুল হয় না । সমগ্র সৃষ্টিকে তিনি নিয়ন্ত্রণ করেন । এটা আমাদের দায়িত্ব নয় । আমি যদি নিষ্কপট হই তবে পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইতে চলতে হবে, আমরা প্রকৃত দেশপ্রেমী কি না তাত’ যুদ্ধক্ষেত্রেই পরীক্ষা হয় । আমি সাধু-গুরু, গৌর, কৃষ্ণ, রাধাগোবিন্দ, এঁদের শরণাগত । পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, আমি এঁদের ছেড়ে যাচ্ছি না । সকলেই আমাকে ত্যাগ করে চলে যেতে পারে, আমি কিন্তু আমার নিষ্ঠায় শরণাগতিতে অবিচলিত থাকব । তা হলে গুরুবর্গ অদৃশ্য থেকেই আমার উপর তাঁদের শুভাশীষের ধারা বর্ষণ করবেন ।

আমাদের নিজের আত্মসমীক্ষ করা দরকার যে আমরা কি পরিমাণে স্বার্থপর ? আমাদের মধ্যে আমাদের পূর্ব অনভিপ্রেত খারাপ অভ্যাস বা “অনর্থ” এখনও কতটা আমাদের হৃদয়ে থাকছে । কর্ম, জ্ঞান, মনের বাসনা এবং অন্যান্য অপবিত্র চিন্তা আমাদের মধ্যে থেকে আমাদের ভক্তিপথের প্রতি শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের সঙ্গে কতটা মিশে রয়েছে । সেগুলি সবই বেরিয়ে আসা চাই এবং সেগুলি দূরীভূত হওয়া চাই । আমরা যদি সত্যিই ভাল চাই, তা হলে কেউ তাতে বাধা দিতে পারে না । এই প্রকার মনোবৃত্তি নিয়ে আমরা এগিয়ে গেলে তখন বুঝতে পারব কোনটা কি ?

(শ্রীল ভক্তি রক্ষক শ্রীধর দেবগোস্বামী মহারাজ)

 

 

 

 

 

কবে আমি পাইব বৈষ্ণব-পদছায়া ?
'আর কত দিন আপনারা থাকবেন এই জগতে ? এক্ষুণইও চলে যেতে পারি । এই মুহুর্তেও আপনাদেরকে গঙ্গার ধারে নিয়ে যাওয়া হতে পারে, কিন্তু আপনারা হরিভজন করলেন না, ভগবানকে ডাকতে পারলেন না । যখন সময় আসবে, তখন সবাইকে জবাব দিতে হবে—কী জবাব দেবেন তখন ?'

      

শ্রীগৌড়ীয়-পর্ব্ব-তালিকা : ২০২৬ সাল

ফালগুন মাস—৩০ দিন

বিষ্ণু মাস—৩০

(মার্চ মাস- ৩১ দিন)

১১ বিষ্ণু, ২৯ ফাল্গুন, ১৪ মার্চ, শনিবার, কৃষ্ণ দশমী প্রাতঃ ৬।৮ । উঃ ৫।৫৩, অঃ ৫।৪২ ।

১২ বিষ্ণু, ৩০ ফাল্গুন, ১৫ মার্চ, রবিবার, কৃষ্ণ একাদশী দিবা ৭।১৮ । পাপবিমোচনী একাদশী ব্রতের উপবাস । উঃ ৫।৫২, অঃ ৫।৪২ ।

চৈত্র মাস—৩০ দিন

১৩ বিষ্ণু, ১ চৈত্র, ১৬ মার্চ, সোমবার, কৃষ্ণ দ্বাদশী দিবা ৭।৫৯ । প্রাতঃ ৫।৫১ গতে দিবা ৭।৫৯ মধ্যে একাদশী ব্রতের পারণ । শ্রীমন্ মহাপ্রভুর বরাহনগরে শুভ বিজয়-মহোৎসব । শ্রীল গোবিন্দ ঘোষ ঠাকুরের তিরোভাব । শ্রীপাদ সত্যেন্দ্রচন্দ্র ভট্টাচার্য্য মহোদয়ের নির্য্যাণ । উঃ ৫।৫১, অঃ ৫।৪২ ।

১৫ বিষ্ণু, ৩ চৈত্র, ১৮ মার্চ, বুধবার, কৃষ্ণ চতুর্দ্দশী দিবা ৭।৪৮ । উঃ ৫।৪৯, অঃ ৫।৪৩ ।

১৬ বিষ্ণু, ৪ চৈত্র, ১৯ মার্চ, বৃহস্পতিবার, অমাবস্যা দিবা ৬।৫৮ পরে গৌর প্রতিপদ শেষরাত্রি ৫।৪৩ । অমাবস্যার উপবাস । উঃ ৫।৪৮, অঃ ৫।৪৪ ।

২০ বিষ্ণু, ৮ চৈত্র, ২৩ মার্চ, সোমবার, গৌর পঞ্চমী রাত্রি ৯।৩৭ । শ্রীপাদ রামানুজ আচার্য্যের আবির্ভাব । ত্রিদণ্ডিস্বামী শ্রীমদ্ভক্তিহৃদয় বন মহারাজের আবির্ভাব । উঃ ৫।৪৪, অঃ ৫।৪৫ ।

২২ বিষ্ণু, ১০ চৈত্র, ২৫ মার্চ, বুধবার, গৌর সপ্তমী অপরাহ্নি ৪।৪৯ । ত্রিদণ্ডিস্বামী শ্রীমদ্ভক্তি-বিলাস তীর্থ মহারাজের আবির্ভাব । উঃ ৫।৪২, অঃ ৫।৪৬ ।

২৪ বিষ্ণু, ১২ চৈত্র, ২৭ মার্চ, শুক্রবার, গৌর নবমী দিবা ১২।২১ । শ্রীশ্রীরামচন্দ্রের জন্মোৎসব । শ্রীশ্রীরাম-নবমীর ব্রত ও উপবাস । “মধ্যাহ্নে জন্ম ভাবয়েৎ” । উঃ ৫।৪০, অঃ ৫।৪৭ ।

২৫ বিষ্ণু, ১৩ চৈত্র, ২৮ মার্চ, শনিবার, গৌর দশমী দিবা ১০।২৭ । প্রাতঃ ৫।৩৯ গতে পূর্ব্বাহ্ণ ৯।৪২ মধ্যে শ্রীশ্রীরাম-নবমী ব্রতের পারণ । উঃ ৫।৩৯, অঃ ৫।৪৭ ।

২৬ বিষ্ণু, ১৪ চৈত্র, ২৯ মার্চ, রবিবার, গৌর একাদশী দিবা ৮।৫১ । কামদা একাদশী ব্রতের উপবাস । উঃ ৫।৩৮, অঃ ৫।৪৭ ।

২৭ বিষ্ণু, ১৫ চৈত্র, ৩০ মার্চ, সোমবার, গৌর দ্বাদশী দিবা ৭।৩৮ । প্রাতঃ ৫।৩৭ গতে দিবা ৭।৩৮ মধ্যে একাদশী ব্রতের পারণ । ওঁ বিষ্ণুপাদ শ্রীল ভক্তিসুন্দর গোবিন্দ দেবগোস্বামী মহারাজের তিরোভাব মহোৎসব । শ্রীকৃষ্ণের দমনকারোপণ উৎসব । উঃ ৫।৩৭, অঃ ৫।৪৮ ।

(এপ্রিল মাস—৩০ দিন)

২৯ বিষ্ণু, ১৭ চৈত্র, ১ এপ্রিল, বুধবার, গৌর চতুর্দ্দশী দিবা ৬।৩৫ । উঃ ৫।৩৫, অঃ ৫।৪৮ ।

৩০ বিষ্ণু, ১৮ চৈত্র, ২ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার, পূর্ণিমা দিবা ৬।৪৮ । শ্রীকৃষ্ণের বসন্ত রাস । শ্রীশ্রীবলরামের রাসযাত্রা । শ্রীল বংশীবদানন্দ ঠাকুরের ও শ্রীল শ্যামানন্দ প্রভুর আবির্ভাব । পূর্ণিমার উপবাস । উঃ ৫।৩৪, অঃ ৫।৪৯ ।

মধুসূদন মাস—২৯ দিন

৫ মধুসূদন, ২৩ চৈত্র, ৭ এপ্রিল, মঙ্গলবার, কৃষ্ণ পঞ্চমী দিবা ২।১৯ । শ্রীপাদ কৃষ্ণদাস বাবাজী মহারাজের তিরোভাব । উঃ ৫।২৯, অঃ ৫।৫১ ।

৭ মধুসূদন, ২৫ চৈত্র, ৯ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার, কৃষ্ণ সপ্তমী সন্ধ্যা ৬।১৪ । শ্রীল অভিরাম ঠাকুরের তিরোভাব । উঃ ৫।২৭, অঃ ৫।৫১ ।

১০ মধুসূদন, ২৮ চৈত্র, ১২ এপ্রিল, রবিবার, কৃষ্ণ দশমী রাত্রি ৯।৩২। শ্রীল বৃন্দাবন দাস ঠাকুরের তিরোভাব । উঃ ৫।২৫, অঃ ৫।৫৩ ।

১১ মধুসূদন, ২৯ চৈত্র, ১৩ এপ্রিল, সোমবার, কৃষ্ণ একাদশী রাত্রি ৯।৩৯ । বরুথিনী একাদশী ব্রতের উপবাস । শ্রীযুক্ত সৌরীন্দ্রনাথ ভক্তি বারিধি প্রভুর তিরোভাব । উঃ ৫।২৪, অঃ ৫।৫৩ ।

১২ মধুসূদন, ৩০ চৈত্র, ১৪ এপ্রিল, মঙ্গলবার, কৃষ্ণ দ্বাদশী রাত্রি ৯।১৭ । প্রাতঃ ৫।২৩ গতে পূর্ব্বাহ্ণ ৯।৩৩ মধ্যে একাদশী ব্রতের পারণ । উঃ ৫।২৩, অঃ ৫।৫৩ ।

 


বৈশাখ মাস-৩১ দিন

১৩ মধুসূদন, ১ বৈশাখ, ১৫ এপ্রিল, বুধবার, কৃষ্ণ ত্রয়োদশী রাত্রি ৮।২৪ । শ্রীউলুবেড়িয়ায় শ্রীচৈতন্য-সারস্বত মঠে শ্রীশ্রী-গুরু-গৌরাঙ্গ-রাধা-বৃন্দাবনচন্দ্র জীউর প্রাকট্য মহোৎসব । উঃ ৫।২২, অঃ ৫।৫৪ ।

১৪ মধুসূদন, ২ বৈশাখ, ১৬ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার, কৃষ্ণ চতুর্দ্দশী রাত্রি ৭।৬ । ওঁ বিষ্ণুপাদ পরিব্রাজকাচার্য্যবর্য্য অষ্টোত্তর-শতশ্রী শ্রীশ্রীমদ্ভক্তিনির্ম্মল আচার্য্য মহারাজের তিরোভাব মহোৎসব । উঃ ৫।২১, অঃ ৫।৫৪ ।

১৫ মধুসূদন, ৩ বৈশাখ, ১৭ এপ্রিল, শুক্রবার, অমাবস্যা অপরাহ্ণ ৫।২৫ । শ্রীল গদাধর পণ্ডিত গোস্বামীর আবির্ভাব । উঃ ৫।২০, অঃ ৫।৫৫ ।

১৬ মধুসূদন, ৪ বৈশাখ, ১৮ এপ্রিল, শনিবার, গৌর প্রতিপদ দিবা ৩।২৭ । ত্রিদণ্ডিস্বামী শ্রীমদ্ভক্ত্যালোক পরমহংস মহারাজের আবির্ভাব । উঃ ৫।১৯, অঃ ৫।৫৫ ।

১৭ মধুসূদন, ৫ বৈশাখ, ১৯ এপ্রিল, রবিবার, গৌর দ্বিতীয়া দিবা ১।১৪ । শ্রীমদ্ভক্তিবিচার যাযাবর মহারাজের আবির্ভাব । উঃ ৫।১৮, অঃ ৫।৫৫ ।

১৮ মধুসূদন, ৬ বৈশাখ, ২০ এপ্রিল, সোমবার, গৌর তৃতীয়া দিবা ১০।৫৩ । অক্ষয়-তৃতীয়া । শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের ২১ দিবস-ব্যাপী চন্দন যাত্রা আরম্ভ । উঃ ৫।১৭, অঃ ৫।৫৬ ।

২০ মধুসূদন, ৮ বৈশাখ, ২২ এপ্রিল, বুধবার, গৌর পঞ্চমী প্রাতঃ ৬।১ পরে ষষ্ঠী রাত্রি ৩।৪২ । শ্রীপাদ শঙ্করাচার্য্যের আবির্ভাব । ত্রিদণ্ডি-স্বামী শ্রীমদ্ভক্তিবিলাস গভাস্তিনেমী মহারাজের তিরোভাব । উঃ ৫।১৬, অঃ ৫।৫৭ ।

২১ মধুসূদন, ৯ বৈশাখ, ২৩ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার, গৌর সপ্তমী রাত্রি ১।৩২ । জহ্নু সপ্তমী । শ্রীজাহ্নবী পূজা । উঃ ৫।১৫, অঃ ৫।৫৭ ।

২৩ মধুসূদন, ১১ বৈশাখ, ২৫ এপ্রিল, শনিবার, গৌর নবমী রাত্রি ৯।৫৯ । শ্রীনিত্যানন্দ-শক্তি শ্রীজাহ্নবাদেবীর ও শ্রীরামশক্তি সীতাদেবীর আবির্ভাব । উঃ ৫।১৩, অঃ ৫।৫৮ ।

২৪ মধুসূদন, ১২ বৈশাখ, ২৬ এপ্রিল, রবিবার, গৌর দশমী রাত্রি ৮।৪৪ । উঃ ৫।১৩, অঃ ৫।৫৮ ।

২৫ মধুসূদন, ১৩ বৈশাখ, ২৭ এপ্রিল, সোমবার, গৌর একাদশী রাত্রি ৭।৫৬ । মোহিনী একাদশী ব্রতের উপবাস । উঃ ৫।১২, অঃ ৫।৫৯ ।

২৬ মধুসূদন, ১৪ বৈশাখ, ২৮ এপ্রিল, মঙ্গলবার, গৌর দ্বাদশী রাত্রি ৭।৩৭ । প্রাতঃ ৫।১১ গতে পূর্ব্বাহ্ণ ৯।২৭ মধ্যে একাদশী ব্রতের পারণ । উঃ ৫।১১, অঃ ৫।৫৯ ।

২৮ মধুসূদন, ১৬ বৈশাখ, ৩০ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার, গৌর চতুর্দ্দশী রাত্রি ৮।২৯ । ভগবান্ শ্রীনৃসিংহদেবের আবির্ভাব । শ্রীশ্রীনৃসিংহ-চতুর্দ্দশী ব্রত ও উপবাস । শ্রীচৈতন্য-সারস্বত মঠের বর্ত্তমান সভাপতি-আচার্য্য ওঁ বিষ্ণুপাদ পরিব্রাজকাচার্য্যবর্য্য অষ্টোত্তরশতশ্রী শ্রীশ্রীমদ্ভক্তিতিলক নিরীহ মহারাজের শুভ আবির্ভাব । শ্রীচৈতন্য-সারস্বত মঠে শ্রীশ্রীগুরু-গৌর-নিত্যানন্দ প্রভু, শ্রীশ্রীলক্ষ্মী-নৃসিংহদেব ও প্রহ্লাদ মহারাজের শ্রীবিগ্রহের প্রাকট্য মহোৎসব । উঃ ৫।১০, অঃ ৬।০ ।

(মে মাস- ৩১ দিন)

২৯ মধুসূদন, ১৭ বৈশাখ, ১ মে, শুক্রবার, পূর্ণিমা রাত্রি ৯।৩৯ । প্রাতঃ ৫।৯ গতে পূর্ব্বাহ্ণ ৯।২৬ মধ্যে শ্রীশ্রীনৃসিংহ-চতুর্দ্দশী ব্রতের পারণ । শ্রীকৃষ্ণের ফুলদোল ও সলিল-বিহার । বুদ্ধ পূর্ণিমা । শ্রীল পরমেশ্বরী দাস ঠাকুরের তিরোভাব । শ্রীল শ্রীনিবাস আচার্য্যের আবির্ভাব । উঃ ৫।৯, অঃ ৬।০ ।

ত্রিবিক্রম মাস—২৯ দিন (প্রথমার্দ্ধ)

১ ত্রিবিক্রম, ১৮ বৈশাখ, ২ মে, শনিবার, কৃষ্ণ প্রতিপদ রাত্রি ১১।১৩ । ত্রিদণ্ডিস্বামী শ্রীমদ্ভক্তিসারঙ্গ গোস্বামী মহারাজের তিরোভাব । উঃ ৫।৯, অঃ ৬।১ ।

৬ ত্রিবিক্রম, ২৩ বৈশাখ, ৭ মে, বৃহস্পতিবার, কৃষ্ণ পঞ্চমী দিবা ৬।৫৯ । শ্রীল রামানন্দ রায়ের তিরোভাব । উঃ ৫।৫, অঃ ৬।৩ ।

১০ ত্রিবিক্রম, ২৭ বৈশাখ, ১১ মে, সোমবার, কৃষ্ণ নবমী দিবা ১০।২১ । শ্রীপাদ সন্তোষ কৃষ্ণ দাসাধিকারী প্রভুর নির্য্যাণ । উঃ ৫।৩, অঃ ৬।৫ ।

১১ ত্রিবিক্রম, ২৮ বৈশাখ, ১২ মে, মঙ্গলবার, কৃষ্ণ দশমী দিবা ৯।৫৬ । উঃ ৫।৩, অঃ ৬।৫ ।

১২ ত্রিবিক্রম, ২৯ বৈশাখ, ১৩ মে, বুধবার, কৃষ্ণ একাদশী দিবা ৯।৩ । অপরা একাদশী ব্রতের উপবাস । উঃ ৫।২, অঃ ৬।৬ ।

১৩ ত্রিবিক্রম, ৩০ বৈশাখ, ১৪ মে, বৃহস্পতিবার, কৃষ্ণ দ্বাদশী দিবা ৭।৪৫ । প্রাতঃ ৫।১ গতে দিবা ৭।৪৫ মধ্যে একাদশী ব্রতের পারণ । শ্রীল বৃন্দাবন দাস ঠাকুরের আবির্ভাব । উঃ ৫।১, অঃ ৬।৬ ।

১৪ ত্রিবিক্রম, ৩১ বৈশাখ, ১৫ মে, শুক্রবার, কৃষ্ণ ত্রয়োদশী দিবা ৬।৩ পরে চতুর্দ্দশী শেষরাত্রি ৪।২ । উঃ ৫।১, অঃ ৬।৭ ।

 

      

 

 

বৃক্ষসম ক্ষমাগুণ করবি সাধন । প্রতিহিংসা ত্যজি আন্যে করবি পালন ॥ জীবন-নির্ব্বাহে আনে উদ্বেগ না দিবে । পর-উপকারে নিজ-সুখ পাসরিবে ॥