মন, তুমি তীর্থে সদা রত ।
অযোধ্যা, মথুরা, মায়া,কাশী, কাঞ্চী, অবন্তীয়া,
দ্বারাবতী আর আছে যত ॥
 
তুমি চাহ ভ্রমিবারে,এ সকল বারে বারে,
মুক্তিলাভ করিবার তরে ।
সে কেবল তব ভ্রম,নিরর্থক পরিশ্রম,
চিত্ত স্থির তীর্থে নাহি করে ॥
 
তীর্থফল সাধুসঙ্গ,সাধুসঙ্গে অন্তরঙ্গ,
শ্রীকৃষ্ণভজন মনোহর ।
যথা সাধু, তথা তী থ,থির করি’ নিজ-চিত্ত,
সাধুসঙ্গ কর নিরন্তর ॥
 
যে তী থে বৈষ্ণব নাই,সে তীর্থেতে নাহি যাই
কি লাভ হাঁটিয়া দূরদেশ ।
যথায় বৈষ্ণবগণ,সেই স্থান বৃন্দাবন,
সেই স্থানে আনন্দ অশেষ ॥
 
কৃষ্ণভক্তি যেই স্থানে,মুক্তিদাসী সেইখানে,
সলিল তথায় মন্দাকিনী ।
গিরি তথা গোবর্ধন,ভূমি তথা বৃন্দাবন,
আবির্ভূতা আপনি হ্লাদিনী ॥
 
বিনোদ কহিছে ভাই,ভ্রমিয়া কি ফল পাই,
বৈষ্ণব-সেবন মোর ব্রত ॥
 

 


 

← গ্রন্থাগারে ফিরে

ডাউনলোড (0.4 Mb)

 


 

সূচীপত্র:
আমার জীবন সদা
অক্রোধ পরমানন্দ
ভয়ভঞ্জন-জয়শংসন
বজহুঁরে মন
ভজ রে ভজ রে আমার
ভুলিয়া তোমারে
বিমল হেমজিনি
দশাবতারস্তোত্রম্
ধন মোর নিত্যানন্দ
দুর্লভ মানব জন্ম
এইবার করুণা কর
এ ঘোর সংসারে
এমন দুর্ম্মতি
গায় গোরা মধুর স্বরে
গোপীনাথ মম নিবেদন শুন
গুরুদেব! কৃপাবিন্দু দিয়া
শ্রীমদ্ভক্তিবিনোদবিরহদশকম্ (হা হা ভক্তিবিনোদঠক্কুর)
হরি হরয়ে নমঃ কৃষ্ণ
হরি হে দয়াল মোর
হে দেব ভবন্তং বন্দে
জনম সফল তা'র
জয় গুরু-মহারাজ (শ্রীগুরু আরতি-স্তুতি)
জয় গুরু মহারাজ করুণাসাগর (শ্রীশ্রীনিতাই-চৈতন্য-আরতি)
জয় জয় গুরুদেব করুণাসাগর (শ্রীগুরু-শ্রীগৌর-শ্রীনিত্যানন্দ-আরতি)
জয় জয় গুরুদেবের (শ্রীগুরু-আরতি)
জয় জয় গোরাচাঁদের (গৌর-আরতি)
জয় রাধামাধব
জয় রাধে, জয় কৃষ্ণ
জয়রে জয়রে জয় পরমহংস
কবে হবে বল সে দিন আমার
কবে শ্রীচৈতন্য মোরে
কে যাবি কে যাবি
কি জানি কি বলে
কিরূপে পাইব সেবা
মানস দেহ গেহ
নমো নমঃ তুলসী মহারাণি
নিতাই আমার দয়ার অবধি
নিতাই গুণমণি আমার
মন, তুমি তীর্থে সদা রত
মানস দেহ গেহ
ময়ূর-মুকুট
পরম করুণ
রাধা ভজনে যদি
করাধাকুণ্ডতট
রাধে রাধে গোবিন্দ
রাধিকা চরণ পদ্ম
সংসার-দাবানল (শ্রীগুর্ব্বষ্টকম্)
শ্রীগৌর-মণ্ডল মাঝে
শ্রীগুরুচরণ-পদ্ম
শ্রীগুরুপরম্পরা
শ্রীহরি-বাসরে হরি
শ্রীল-রঘুনাথদাস-গোস্বামি-শোচক
শ্রীমদ্রূপগোস্বামি-প্রভুর শোচক
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু জীবে
শ্রীরূপমঞ্জরী-পদ
শ্রীশ্রীষড়্­গোস্বাম্যষ্টকম্
শ্রীশ্রীদামোদরাষ্টকম্
শ্রীশ্রীমদ্­গৌরকিশোরনমস্কারদশকম্
শুদ্ধ ভকত-চরণ-রেণু
সুজনার্ব্বুদরাধিতপাদযুগং
শুনহে রসিক জন
ঠাকুর বৈষ্ণবগণ
বৈষ্ণব কে ?
বৈষ্ণব ঠাকুর দয়ার
বন্দনা
যদি, গৌর না হ'ত
যশোদা-নন্দন কৃষ্ণ
যশোমতীনন্দন
যে আনিল প্রেমধন (বিরহ-গীতি)

বৃক্ষসম ক্ষমাগুণ করবি সাধন । প্রতিহিংসা ত্যজি আন্যে করবি পালন ॥ জীবন-নির্ব্বাহে আনে উদ্বেগ না দিবে । পর-উপকারে নিজ-সুখ পাসরিবে ॥